স্টাফ রিপোর্টার: “পলাশ উৎসব“তোমার অশোকে কিংশুকেঅলক্ষ্য রঙ লাগলো আমার অকারণে সুখে”পলাশ ফুল। শীতের রুক্ষতা আর জরাজীর্ণের পালে ভালোবাসার পাল তুলে বাংলার আনাচে-কানাচে এখানে সেখানে ফুটে থাকে পলাশ। রক্তঝরা পলাশ আমাদের জানান দেয় বসন্ত এসে গেছে। আমাদের ভালবাসার টুকটুকে পলাশ নিয়ে কবি সাহিত্যিকদের লেখনীতে ফুটে ওঠে।
বাংলা সাহিত্যের সংস্কৃতির মাঝে পলাশ ফুলের বিচরণ লক্ষ্যনীয়। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এবং কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ রোডের দুপাশের সারি দেওয়া পলাশ ফুলের বাহার বসন্তের সকালে আমাদেরকে অতি মুগ্ধ করে যেন প্রকৃতির কোলে পলাশ ফুলের বিছানা। ভাললাগার এ ফুলকে কেন্দ্র করে প্রথমবারের মতো সুশীলন-এর আয়োজনে কক্সবাজারে ইনানীতে পালিত হল “পলাশ উৎসব”। বসন্তের এই পলাশ ফুল দেখতে “পলাশ উৎসব” বিবেচনা করে হতে পারে পর্যটকদের এক নতুন উৎসাহ যা কক্সবাজারের ইকোটুরিজম কে সম্প্রসারনে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।
এর মাধ্যমে আমাদের বাংলা সংস্কৃতিতে “পলাশ উৎসব” এর এক নতুন ধারার সূচনা হলো। এই পলাশ উৎসবে উপস্থিত ছিলেন সুশীলনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান জনাব মোস্তফা নূরুজ্জামান। এই উৎসবে মালা, ফুলদানিতে ব্যবহার, রাখী বন্ধনী, পলাশের উপর গান কবিতা আলোচনার ব্যবস্থা করা হয়।