ডাঃ নুরল হক, বিরামপুর দিনাজপুরঃ ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানের বাহিনীর অতর্কিত হামলায় ঢাকা শহরে বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ, গণহত্যা, মানুষের কান্নার রোল, সারা দেশের মানুষ বিপর্যস্ত, হতবিহব্বল, দিশেহারা, কোণঠাসা তখনই একটি কণ্ঠস্বর ভেসে আসলো আমি মেজর জিয়া বলছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করছি । একটি ঘোষণা একটি কণ্ঠস্বরে দেঢ়তা বদলে দিল পুরো দৃশ্যপট। সংগঠিত হতে শুরু করলো মুক্তিযোদ্ধারা । শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ । মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা একটি জাতির ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প।
২৫ মার্চ কালো রাত্রের হত্যার পর পাকিস্তানি শাসকেরা সম্ভবত: রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় ছিলেন। লক্ষণীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিরা আক্রান্ত জাতিকে হানাদার বাহিনীর অস্ত্রের মুখে ফেলে যার যার মত নিরাপদ আশ্রয়ে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু জিয়াউর রহমান দৃঢ় প্রত্যয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন।
শুরু হয় গ্যারিলা যুদ্ধের এক নতুন অধ্যায় । মুক্তিযোদ্ধারা সবাই যার যার অবস্থান থেকে মুক্তিযুদ্ধের অবদান রেখেছেন।
বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এক সাগর রক্তস্নাত ও স্বাধীনতা , বিশ্বের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাসে গৌরবময় একটি দিন আজ।